২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার, সকাল ১০:৪৯
ব্রেকিংনিউজ :

সিদ্ধিরগঞ্জে বিধবাকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট : অক্টোবর, ৩, ২০২২, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
  • ১৩২ ০৯ বার দেখা হয়েছে
ফতুল্লায় রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ইট ভাটায় গৃহবধূকে ধর্ষণ
ফাইল ছবি

সিদ্ধিরগঞ্জে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে বিধবাকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে ট্রাক মালিক জামশেদের বিরুদ্ধে। তার কাছে বিধবার স্বামী ১২ লাখ টাকা পেত। স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে বিধবার প্রতি কূ-নজর দেয় জামশেদ।

 

পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে বিধবাকে ডেকে নিয়ে অফিসের দরজা বন্ধ করে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় জামশেদ। এ ঘটনায় পুলিশের মহা পরির্দশক, স্বরাষ্ট্র সচিব (প্রশাসন-১) ও জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ভূক্তভোগী নারী।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শিমরাইল এলাকার মনির হোসেনের বাড়ীর ভাড়াটিয়া আবুল কালামের ছেলে মো: জামশেদ আলীর সাথে ট্রান্সপোর্ট ব্যবসা করতেন ভূক্তভোগীর স্বামী। ব্যবসার লেনদেন বাবদ ভূক্তভোগীর স্বামী ১২লাখ ২হাজার ২শত ৫৮টাকা পাওনা হয় জামশেদের কাছে। এ অবস্থায় ভূক্তভোগীর স্বামী মারা যান।

 

ফলে দুই সন্তান নিয়ে মানবেতর অবস্থায় পড়েন ওই নারী। স্বামীর পাওনা টাকা পরিশোধ করতে ওই নারী জামশেদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে থাকে। আজ না কাল দিব বলে সময় ক্ষেপন করে জামশেদ। পাওনা টাকা আদায়ের জন্য এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তির স্বরণাপন্ন হয় ওই বিধবা। এনিয়ে কয়েক দফা বৈঠক হয়। প্রতিশ্রুতি দিয়েও বিধবাকে টাকা দেয়নি জামশেদ।

 

গত ২১ আগস্ট সন্ধ্যায় টাকা দেওয়ার কথা বলে বিধবাকে ডেকে নেয় শিমরাইল সাজেদা হাসপাতাল সংলগ্ন জামশেদের অফিসে। বিধবা অফিসে গেলে জামশেদ দরজা বন্ধ করে বলে তোমাকে টাকা দিব কিন্তু তুমি আমাকে কিছু দিবানা। তখন ভূক্তভোগী বলে আমি অসহায় আপনাকে কি দিব। এসময় জামশেদ বলে তোমার দেহ দিলেই হবে।

 

এতে রাজি না হলে তার হাত ধরে টানা হেঁচড়া করে ধর্ষণ করার চেষ্টা চালায় জামশেদ। এক পর্যায় বিধবা নিজেকে মুক্ত করে দরজা খুলে দৌড়ে বের হয়ে যায়। তার কূ-প্রস্তাবে রাজি না হয়ে চলে আসার পর থেকেই জামশেদ টাকা দিতে অস্বীকার করার পাশাপাশি ওই দিনের ঘটনা কাউকে জানালে জীবনে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছে।

বিধবার অভিযোগ ওই ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ অভিযোগ নেয়নি। তাই নিরুপায় হয়ে পাওনা টাকা উদ্ধার ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশের মহা পরিদর্শক, স্বরাষ্ট্র সচিব(প্রশাসন-১) ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করি।

 

এবিষয়ে অভিযুক্ত জামশেদের মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার ফোন করলে রিং হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

 

 

সংবাদটি শেয়ার করে সবাই কে দেখার সুযোগ করে দিন

এ বিভাগের আরো খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত  © ২০২১ সবার কন্ঠ
Design & Developed BY:Host cell BD
ThemesCell