২রা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, রাত ৯:৩১
ব্রেকিংনিউজ :

ফিলিস্তিনে মানুষ পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে সেখানে মানবাধিকারের কথা বলে না ওরা: শামীম ওসমান

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট : ডিসেম্বর, ২৫, ২০২৩, ৯:৩২ অপরাহ্ণ
  • ৬৩ ০৯ বার দেখা হয়েছে
ফিলিস্তিনে মানুষ পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে সেখানে মানবাধিকারের কথা বলে না ওরা: শামীম ওসমান

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ও দলীয় প্রার্থী একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, এবারের ভোট ১৯৭০ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের ভোটের চেয়ে কোন অংশে কম না। একটা ঈগল পাখি আকাশে একুশ দিন উড়তে পারে। ও উড়তে থাকবে। ওর টার্গেট যে কেউ হতে পারে। যখন ও বুঝবে ওর রিস্ক হবে না তখন ছোঁ মেরে শিকার নিয়ে নিবে। আমাদের মানচিত্রের ওপর ঈগল ঘুরছে। যারা ফিলিস্তিনে মুসলমানদের পুড়ে ছাই হয়ে  যাচ্ছে। সেটা দেখে না। ওখানে তো মানবাধিকারের কথা বলে না ওরা।  আমাদের দেশে মানবাধিকার নামে নাটক করতে চায়ওরা। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায়  ফতুল্লার দাপায় উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

 

তিনি বিএনপি ছেলেগুলোর জন্য আমার মায় লাগে মন্তব্য করে বলেন, সেই বিদেশে বসে থাকা ভাইয়ের নির্দেশে বাসে আগুন দিয়ে সেই ভিডিও পাঠাচ্ছে। আর এখানে সেই ভিডিওগুলোতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে কোন কোন ছেলেরা আগুন দিচ্ছে। তাদের ভবিষৎ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কারণ এরা সাজাপ্রাপ্ত হবেন। এগুলো তো অপরাধ। একজন ভন্ড প্রতাকের খপ্পরে পড়ে ছেলেগুলোর ভবিষৎ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

 

তিনি আর ও বলেন,  ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এ দেশটা স্বাধীন হয়েছে। কোন বাড়িতে সুন্দরী মেয়ে ছিল পাকিস্তানিরা জানত না। এই জামায়াত এগুলো চিনিয়ে দিয়েছে। তাদের নিয়েই বিএনপি মাঠে নেমেছে। ৩০ লক্ষ মানুষের রক্ত দিয়ে এ দেশটা স্বাধীন করা হল।  একটা অদৃশ্য শক্তির সাথে লড়াই হচ্ছে। এই একটা মহিলা শেখ হাসিনা টিকে আছে। ওরা সমুদ্র, সেন্টমার্টিন বহু কিছু চায়। আমি অনেক কথা বলতে পারছি না… সমস্যা আছে। ভোট দিতে যান। যাকেই দেন, আমাকে দিতে হবে এমন কথা নেই। আমরা স্বাধীনতা রক্ষা করতে না পারলে এটা আমাদের জন্য লজ্জা। আমি জানি বিষয়টা কী। আমি খোলামেলা বলতে পারছি না।  আমি এ পর্যন্ত কোথাও যেয়ে বলিনি আমাকে ভোট দেন। আমি মনে করি আমি যতটুকু বুঝি আপনি তার চেয়ে কম বোঝেন না। আমি রাজনীতিতে ধান্ধা করতে আসিনি। রাজনীতিবিদরা যদি সত্যি না বলে তাহলে কথা বলা উচিত না। আর সাংবাদিকেরা যদি সত্যি লিখতে না পারে তাহলে লেখা উচিত না।

 

 তিনি বলেন, আমরা ৬৫০ কোটি টাকার শুধু রাস্তা করেছি এই এলাকায়। আরও কাজ আছে পাইপলাইনে। স্কুল করেছি, এখানে শেখ কামাল আইটি ইনিস্টিটিউট হবে। অনেকের পরিবারে আছে বিদেশে কাজ করে। সে বেতন পায় বিশ হাজার টাকা। নেপালে আরেক লোক যায় সে পায় আশি হাজার টাকা। কারণ, তার কাছে সার্টিফিকেট আছে। সেটা মাথায় রেখে আমরা টেকনিক্যাল কলেজ করছি। এখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় হবে, পাঁচশ শয্যা বিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ হবে।

 

 

সংবাদটি শেয়ার করে সবাই কে দেখার সুযোগ করে দিন

এ বিভাগের আরো খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত  © ২০২১ সবার কন্ঠ
Design & Developed BY:Host cell BD
ThemesCell