শিল্প অধ্যুষিত নারায়ণগঞ্জে ১৫টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে ঢাকার স্ট্রাকচার প্ল্যান (ড্যাপ)। এ সকল পার্ক নির্মাণে প্রায় ১০০০ একর জমির জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে।
ড্যাপ চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই শুরু হবে পার্ক নির্মাণের কার্যক্রম। পার্কগুলোর কাজ পূর্ণ হলে এক অন্যরকম পরিবেশবান্ধব নগরী হবে নারায়ণগঞ্জ।
নারায়ণগঞ্জের আঞ্চলিক পার্কটির জন্য আলিরটেক ইউনিয়নের ধলেশ্বরী নদীর তীরে চরবক্তাবলি ও গোপচর মৌজায় প্রায় ১৪৬ একর জায়গার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এছাড়া রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম-পূর্বগাঁওয়ে করা হয়েছে আরও ১০০ একর জমি, পাগলা পার্কের জন্য কুতুবপুর ইউনিয়ের বুড়িগঙ্গা নদীর তীরসংলগ্ন পাগলা মৌজায় ১০ একর, পাগলা জলকেন্দ্রিক পার্কের জন্য ধোপাপিতা ও পিলকুনিতে ৭৬ একর, আলিরটেকের জন্য ৮৭ একর, নূরবাগ দেলপাড়ার জন্য দেলপাড়ার প্রায় ১৯ একর, তারাব পৌর পার্কের জন্য খাদন মৌজায় ১৪ একর, রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইল পার্কের জন্য ৩৩ একর, মাহানা পার্কের জন্য গোলকান্দাইল ইউনিয়নে ৩০ একর, জাঞ্জিরা-বক্তাবলি পার্কের জন্য চরসাংঘাট ও চর রক্তাবলি মৌজায় ২৮৪ একর, জালকুড়ি জলকেন্দ্রিক ইকোপার্কের জন্য জালকুরি ও কুতিবপুর এলাকায় ৮৬ একর, মেনিখালি ইকোপার্কের জন্য নারায়ণগঞ্জের বৈদ্যের বাজার মেনিখালি এলাকার ৬১ একর, মইকলি তারাবর জন্য তারাব পৌরসভা ও নারায়ণগঞ্জের সাদিপুর ও জামপুরের মাওকালি এলাকায় ৫২ একর জায়গা প্রস্তাব করা হয়েছে।
পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ পার্কের জন্য নারায়ণগঞ্জ মৌজার দুটি পার্ক নির্মাণে প্রায় ১১ দশমিক ৮৯ ও ১২ দশমিক ২৭ একর জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রাজউক চেয়ারম্যান এ বি এম আমিন উল্লা নুরী গণমাধ্যমকে বলেন, প্রস্তাবিত এসব পার্ক বাস্তবায়ন সম্ভব। এগুলো বাস্তবায়ন হলে ঢাকা ও আশপাশের এলাকার চিত্র পুরো বদলে যাবে।