১৪ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার, দুপুর ২:০৯
ব্রেকিংনিউজ :
Logo প্রতিষ্ঠানগুলোতে ধাপে ধাপে ঈদের ছুটি দেওয়া হলে সড়কে চাপ কমবে: ডিআইজি Logo রূপগঞ্জে ১২শ দুস্থ পরিবারকে আইনজীবীর অর্থ প্রদান Logo মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও অপ-প্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন Logo হাসিনা অটিজমে অটিস্টিকদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ Logo আদালত থেকে পালালো আসামি, অবশেষে আটক Logo ধান্ধাবাজি করলে আমার বাড়িঘর ও ব্যবসা বন্ধক রাখতাম না: শামীম ওসমান Logo আড়াইহাজারে সন্ত্রাসী-মাদক মামলায় ইউপি সদস্য গ্রেফতার Logo নিখোঁজ স্কুলছাত্রের লাশ ভেসে উঠলো  বুড়িগঙ্গা নদীতে Logo নুরুল হকের বাড়ী পুলিশ ও সন্ত্রাসী দিয়ে দখলের পায়তারা, পুলিশ সুপার এবং ডি.সি বরাবর অভিযোগ Logo ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করতে না দেয়ায় গৃহবধূকে ছুরিকাঘাত

ঘুষ ছাড়া কাজ হয়না মদনগঞ্জ ভুমি অফিসে!

সবারকন্ঠ রিপোর্ট
  • আপডেট : এপ্রিল, ২২, ২০২২, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ
  • ১৭০ ০৯ বার দেখা হয়েছে
ঘুষ ছাড়া কাজ হয়না মদনগঞ্জ ভুমি অফিসে!

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২০ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত  মদনগঞ্জ ইউনিয়ন ভুমি অফিসে এক বছর ধরে তহসীলদার না থাকায় উপসহকারী তহসীলদার দুলাল বাবুই এখন সর্বেসর্বা। তার একক নেতৃত্বে ও কর্তৃত্বে এই ভুমি অফিসে কায়েম হয়েছে অনিয়ম-দূর্ণীতি আর ঘুষের রাম রাজত্ব।

 

নাম প্রস্তাব, সার্ভে রিপোর্ট, নামজারী, ডিসিআর সংগ্রহ, খাজনা দাখিলা থেকে শুরু করে সব কিছুতেই তাকে ঘুষ দিতে হয়। ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয়না দুলাল বাবুর অফিসে।  নির্ভেজাল জায়গার মালিকরাও এখানে নানাভাবে হয়রানীর শিকার হন বলে জানান ভুক্তভোগীরা। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহেনশাহ আহমেদ মদনগঞ্জ মৌজায় ৯ শতক জমি সম্প্রতি নামজারী করতে যান মদনগঞ্জ ইউনিয়ন ভুমি অফিসে।

 

এ সময় উপসহকারী তহসীলদার দুলাল বাবু নামজারী বাবদ কাউন্সিলরের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন। পরে তিনি দুলাল বাবুকে এক লাখ টাকা দিলে  নামজারী সম্পন্ন হয়। এ ব্যাপারে কাউন্সিলর শাহেনশাহ আহমেদ জানান, তিনি ৯ শতাংশ নির্ভেজাল জমির নামজারী করতে দুলাল বাবুর কাছে যান। দুলাল বাবু তার কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন। পরে তিনি এক লাখ টাকা দিলে নামজারী করে দেন।  সোনাকান্দা এলাকার তাওলাদ হোসেন জানান, তিনি ৩ শতাংশ জমির নামজারীর জন্য গেলে দুলাল বাবু তার কাছেও মোটা অংকের টাকা দাবি করেন।

 

তিন মাস আগে  তিনি  দুলাল বাবুকে ৭০ হাজার টাকা দেন। কিন্তু টাকা নিয়েও দুলাল বাবু নামজারী করে দিচ্ছেননা। আরও টাকা পেতে  তাকে নানাভাবে হয়রানী করছে বলে জানান তাওলাদ হোসেন। এভাবে দুলাল বাবু ১২ জন উমেদার নিয়োগ দিয়ে জমির মালিকদের কাছ থেকে ঘূষ বাবদ লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। রাহাত নামে তার প্রধান উমেদার এসবকিছু  চতুরতার সাথে সামাল দিচ্ছেন বলে সূত্র জানায়।

 

প্রতি মাসে অর্ধশত নামজারী হয় এ অফিসে। প্রতি নামজারী ১০ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয় এই অফিসে। ডিসিআর সরবরাহ আর খাজনা দাখিলায়ও মোটা অংকের ঘূষ আদায় করা হয় বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে।  অভিযোগের বিষয়টি জানতে মোবাইল ফোনে দুলাল বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মিটিংয়ে আছেন বলে ফোন কেটে দেন।

 

সংবাদটি শেয়ার করে সবাই কে দেখার সুযোগ করে দিন
      
 
   

এ বিভাগের আরো খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত  © ২০২১ সবার কন্ঠ
Design & Developed BY:Host cell BD
ThemesCell