২রা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, রাত ১০:৩৪
ব্রেকিংনিউজ :

ওসমান সাহেব আওয়ামীলীগের একটা ঘাঁটি ছিলেন: প্রধানমন্ত্রী

সবারকন্ঠ রিপোর্ট
  • আপডেট : অক্টোবর, ১১, ২০২২, ১:০০ পূর্বাহ্ণ
  • ১৪৭ ০৯ বার দেখা হয়েছে
ওসমান সাহেব আওয়ামীলীগের একটা ঘাঁটি ছিলেন: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওসমান পরিবারের বিষয়ে বলেন,  ৩য় শীতলক্ষ্যা সেতুর নাম নাসিম ওসমানের নামেই দিয়েছি। কারণ ওনার বাবা শামসুজ্জোহা সাহেব আওয়ামীলীগের নেতা ছিলেন। ওনার দাদা ওসমান সাহেব আওয়ামীলীগের একটা ঘাঁটি ছিলেন। ১৯৭১ সালে ধানমন্ডির ১৮ নং রোডের বাসায় আমার মা সহ আমরা সবাই বাসায় বন্দী ছিলাম। ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী সারেন্ডার করার পরেও আমরা মুক্তি পাইনি। পাকিস্থানিরা আমাদের আটকে রেখে ছিল।  কিন্তু জোহা সাহেব ভেবেছিল আমরা বোধহয় মুক্তি পেয়েছি। তিনি যখন আমাদের বাসার রাস্তা দিয়ে ঢুকেন। তখন পাকিস্তানী সেনারা আমাদের বাসা লক্ষ্য করে তাকে গুলি করেন। তাঁর শরীরে গুলি লাগে। কিন্তু তিনি বেঁচে গিয়েছিলেন। তার কথা আমি স্মরণ করি। ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে আমরা রিফিউজী হিসেবে দিল্লীতে ছিলাম। তখন তিনি গ্রেপ্তার হয়ে বন্দী ছিলেন। তিনি মুক্তি পাওয়ার সাথে সাথে ছুটে গিয়েছিল দিল্লীতে, আমাদের সঙ্গে দেখা করতে। সেইসব কথা আমরা স্মরণ করি।

 

 সোমবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার কার্যালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের ৩য় শীতলক্ষ্যা সেতুর উদ্বোধন করেন। এসময়ে তিনি এই কথা বলেন।

 

প্রধানমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান জানিয়ে বলেন, নারায়ণগঞ্জ সবদিকেই গুরুত্বপূর্ণ একটি জেলা। অর্থনৈতিক ভাবে এবং সাংগঠনিক ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ। নারায়ণগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণকে বিবেচনা করেই এখানে ৩য় শীতলক্ষ্যা সেতু উদ্ভোধন করলাম। এই সেতুকে কেন্দ্র করে ঢাকার যানজট কমবে। সেতুটি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

 

তিনি আরো বলেন, ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট, আমাদের জন্য একটা কালোরাত্রি। ১৪ আগস্ট নাসিম ওসমানের বিয়ে হয়। নাসিম ওসমানের বিয়েতে কামালও (শেখ কামাল) গিয়েছিল। কামাল ফিরে আসে। এরমধ্যে নাসিম ওসমান ১৫ আগস্টের ঘটনা শুনে নবপরিণিতা স্ত্রীকে রেখে এই  হত্যার প্রতিবাদ জানাতে চলে গিয়েছিল ভারতে। সেখানে তিনি এই হত্যার প্রতিবাদ করে। আমি সেইসব কথা সবসময়ে আমি স্মরণ করি। যদিও একসময় আমাদের পার্টি করতো না, অন্য পার্টিতে গিয়েছিল। কিন্তু আমার সাথে সবসময় যোগাযোগ ছিল, বড় বোন হিসেবে সম্মান করতো। সেতুটির বিষয়ে কথা বলার জন্য সে বার বার আমার সঙ্গে দেখা করেছিল। যখন আমরা সেতুটার কাজ শুরু করি, তখনই তিনি ইহলোক ছেড়ে চলে গেলেন। এজন্য তার নামেই সেতুটি উৎস্বর্গ করেছি। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। তার নামেই সেতুর নাম করেছি। সেতুর কাজ সম্পন্ন করতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত। যারা সেতু তৈরীতে সহযোগিতা করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ।

 

 

 

 

সংবাদটি শেয়ার করে সবাই কে দেখার সুযোগ করে দিন

এ বিভাগের আরো খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত  © ২০২১ সবার কন্ঠ
Design & Developed BY:Host cell BD
ThemesCell